বাংলা জনপ্রিয় বাণী , বাংলা বাণী , বাংলা উক্তি (Robindranath Tagore Ukti in Bangla)
1. নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস। নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কহে, যাহা কিছু সুখ সকলি ওপারে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
2. আমি তোমারি বিরহে রহিব বিলীন, তোমাতে করিব বাস– দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষ-মাস । যদি আর-কারে ভালোবাস, যদি আর ফিরে নাহি আস, তবে তুমি যাহা চাও তাই যেন পাও, আমি যত দুখ পাই গো
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
3. প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
4. “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর5. “বসন্তকালের ঝড়ে যখন রাশি রাশি আমের বোল ঝরিয়া পড়ে তখন সে বোলগুলি কেবলই মাটি হয়, তাহা হইতে গাছ বাহির হইবার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। তেমনি দেখা গেছে, সংসারে উপদেশের বোল অজস্র বৃষ্টি হয় বটে, কিন্তু অনেক স্থলেই তাহা হইতে অঙ্কুর বাহির হয় না, সমস্ত মাটি হইতে থাকে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
6. “যথার্থ অধিকার থেকে মানুষ নিজের দোষে ভ্রষ্ট হয়।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
7. “কাব্যরস আস্বাদনে পাঠকদের অত্যন্ত বেশি যত্নে পথ দেখিয়ে চলা স্বাস্থ্যকর নহে। নিজে নিজে সন্ধান করা ও আবিষ্কার করা সত্যকার আনন্দ।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
8. “যখন তুমি সত্য কথা বলবার জন্য নিন্দা কর না, কেবল নিন্দা করবার জন্য সত্য কথা বল, তখন তোমার সে সত্য কথা নীতির বাজারে মিথ্যা কথার সমান দরেই প্রায় বিক্রি হবে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
9. “যুক্তির একটা ব্যাকরণ আছে, অভিধান আছে, কিন্তু আমাদের রুচির অর্থাৎ সৌন্দর্যজ্ঞানের আজ পর্য্যন্ত একটা ব্যাকরণ তৈয়ারি হইল না। তাহার প্রধান কারণ, সে আমাদের হৃদয়ের মধ্যে নির্ভয়ে বাস করিয়া থাকে – এবং সে দেশে “কেন” – আদালতের ওয়ারেন্ট জারি হইতে পারে না।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
10. “নিজের গুণহীনতার বিষয়ে অনভিজ্ঞ এমন নির্গুণ শতকরা নিরেনব্বই জন, কিন্তু নিজের গুণ একেবারে জানে না এমন গুণী কোথায়?”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
11. “সামনে একটা পাথর পড়লে যে লোক ঘুরে না গিয়ে সেটা ডিঙ্গিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চায় – বিলম্ব তারই অদৃষ্টে আছে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
12. “অপর ব্যাক্তির কোলে পিঠে চড়িয়া অগ্রসর হওয়ার কোন মাহাত্ম্য নাই – কারণ চলিবার শক্তিলাভই যথার্থ লাভ, অগ্রসর হওয়া মাত্র লাভ নহে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
13. “কেউ বা মরে কথা বলে, আবার কেউ বা মরে কথা না বলে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
14. “আমার মৃত্যুকালে তোমাকে যে কথাটা বলিব মনে করিয়াছিলাম, আজ তাহা বলিতে ইচ্ছা করিতেছে। আজ মনে হইতেছে, তুমি আমাকে যত শাস্তি দাও না কেন আমি বহন করিতে পারিব।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর15. “চিরকাল কোন্ জিনসটা থাকবে না – থাকবে তা কেউ বলতে পারে না এবং আমিও সে সমন্ধে কোনোরকম তর্কবিতর্ক করতে চাই নে – নিজের মনের ভিতরে যখন একটা সফলতার আনন্দ অনুভব করা যায় সেইটেই লেখকের পক্ষে যথার্ত অমরতা। দুর্ভাগ্যক্রমে সে আনন্দ খুব ভালো লেখক থেকে খুব খারাপ লেখক পর্যন্ত প্রায় সকলে ন্যূনধিক পরিমাণে অনুভব করে।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
16. “প্রেমের দুই বিরুদ্ধ পার আছে। এক পারে চোরাবালি, আর-এক পারে ফসলের খেত। এক পারে ভালোলাগার দৌরাত্ম, অন্য পারে ভালোবাসার আমন্ত্রণ।”
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর17 . “সত্যকার আদর্শ লোক সংসারে পাওয়া দুঃসাধ্য। ভালবাসার একটি মহান্ গুণ এই যে, সে প্রত্যেককে নিদেন এক জনের নিকটেও আদর্শ করিয়া তুলে।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
18.
“ভালোবাসার থার্মোমিটারে তিন মাত্রার উত্তাপ আছে। মানুষ যখন বলে ‘ভালোবাসি
নে’ সেটা হল ৯৫ ডিগ্রি, যাকে বলে সাবনর্মাল। যখন বলে ‘ভালোবাসি’ সেটা হল
নাইন্টিএইট পয়েন্ট ফোর, ডাক্তাররা তাকে বলে নর্মাল, তাতে একেবারে কোনো
বিপদ নেই। কিন্তু প্রেমজ্বর যখন ১০৫ ছাড়িয়ে গেছে তখন রুগি আদর করে বলতে
শুরু করেছে ‘পোড়ারমুখি’, তখন চন্দ্রবদনীটা একেবারে সাফ ছেড়ে দিয়েছে।
যারা প্রবীণ ডাক্তার তারা বলে এইটেই হল মরণের লক্ষণ।”-
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

0 মন্তব্যসমূহ