জীবনানন্দ দাশ এর জীবনী | Biography of Jibonananda Das in Bengali
আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত একটি নামের সাথে সেটি হলো জীবনানন্দ দাশ । জীবনানন্দ দাশ কবির জীবনী শুরু করার আগে কয়েকটি কথা আপনাদের বলে নিই । কোনো মানুষই কবি কিংবা লেখক বা লেখিকা হয়ে জন্ম গ্রহন করেনা, এই কবিত্বতা , লেখক কিংবা লেখিকা এটি নিজের চিন্তা-ভাবনা, পরিবেশ , কোনো বিষয়ের উপরে দেখার নজর আমদের সেই স্থানে নিয়ে যায়।
এই জীবনানন্দ দাশ কবির/ লেখকের সাথেও সেই একই ঘটনা ঘটেছে। জীবনানন্দ দাশ তাঁর জিবনের শুরুটা হয়েছিল একেবারেই প্রতিকূল জীবনের সাথে মোকাবিলা করার মধ্য দিয়ে।
জীবনানন্দ দাশ তিনি ছেলে বেলা থেকেই ভাবুক প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। জীবনানন্দ দাশ ছোটো বেলা থেকেই তিনি লেখালেখির সাথে সংসার শুরু করেন। জীবনানন্দ দাশ তিনি লেখালেখিকে জীবনের একটি অংশে রূপান্তরিত করেন।
জীবনানন্দ দাশ তিনি প্রায়ই সময়েই আমাদের চারিপাশের প্রকৃতি কে যেমন- গাছপালা, নদীনালা, পশুপাখি , সাগর, মহাসাগর, মানুষের চরিত্র, প্রকৃতির তিক্ত সত্যতাকে তিনি অনুভব করে তাঁর উপরে জীবনানন্দ দাশ তিনি তাঁর কলম ধরেছেন।
এই উপমহাদেশের প্রায়শই বাঙালি এই জীবনানন্দ দাশ নামটির সাথে পরিচিত। জীবনানন্দ দাশ তিনি তাঁর এই জিবনে প্রায় বিভিন্ন বিষয় সমুহ যেমন- প্রকৃতি, মানুষ, পশুপাখি, জীবনের বাস্তব সত্য নিয়ে তাঁর লেখাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
জীবনানন্দ দাশ এর লেখা বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, উড়িষ্যা ইত্যাদি রাজ্যের পাঠ্যপুস্তকে স্থান অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে।
জীবনানন্দ দাশ এর লেখা বাংলাদেশ এবং ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করেও বিশ্বের সেই সব দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে যেসব দেশে বাঙালি প্রবাসীরা বসবাস করছে।
জীবনানন্দ দাশ এর জীবনী
| জন্ম তারিখ | ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৯ |
|---|---|
| জন্মস্থান | বরিশাল, বাংলাদেশ |
| মৃত্যু | ২২ অক্টোবর ১৯৫৪ |
জীবনানন্দ দাশ (জন্ম: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯, বরিশাল - মৃত্যু: ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪, বঙ্গাব্দ: ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ - ৫ কার্তিক, ১৩৬১) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি।
তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে যখন তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম কবিতে পরিণত হয়েছেন।
তিনি প্রধানত কবি হলেও বেশ কিছু প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা ও প্রকাশ করেছেন।
তবে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে অকাল মৃত্যুর আগে তিনি নিভৃতে ১৪টি উপন্যাস এবং ১০৮টি ছোটগল্প রচনা গ্রন্থ করেছেন যার একটিও তিনি জীবদ্দশায় প্রকাশ করেননি। তাঁর জীবন কেটেছে চরম দারিদ্রের মধ্যে।
বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধকাল অনপনেয়ভাবে বাংলা কবিতায় তাঁর প্রভাব মুদ্রিত হয়েছে। রবীন্দ্র-পরবর্তীকালে বাংলা ভাষার প্রধান কবি হিসাবে তিনি সর্বসাধারণ্যে স্বীকৃত।
(উৎসঃ উইকিপিডিয়া)
তাই জীবনানন্দ দাশ এর লিখা সমুহ নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মায়ানমার, সৌদিআরব ইত্যাদি দেশ সমুহে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
জীবনানন্দ দাশ তিনি তাঁর জীবনের প্রায়ই সমস্থ ভাগটাই লিখালিখির মধ্যেই কাটিয়েছেন । Jibonanodo das তিনি অর্জন করেছেন বিভিন্ন পুরস্কার তাঁর এই অসামান্য লেখনির জন্য।
Jibonanodo das এই নামটি আজ অসংখ্য বাঙ্গালির অন্তরে প্রোথিত অবস্থায় আছে তাঁর এই অসামান্য লেখনি কৌশলের কারনে। Jibonanodo das তাঁর জীবনী এই মাত্র কয়েকটি ব্যাকের মাধ্যমে বর্ণনা করা সম্ভব হবেনা। তাই Jibonanodo das তাঁর জীবনী সম্পর্কে আমরা পরবর্তীতে বিস্তৃত আকারে বর্ণনা করবো ।
পরিশেষে Jibonanodo das এর সম্পর্কে কয়েকটি কথা না বললেই নয়, Jibonanodo das তিনি হলেন বাংলা সাহিত্য জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, Jibonanodo das তাঁর এই নামটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
আশাকরি আপনাদেরকে Jibonanodo das লেখকের জীবনী টি ভালো লেগেছে, আপনারা পরবর্তীতে কোন লেখকের সম্পর্কে লিখা চান তা আমাদের কে কমেন্ট করে জানান।
Jibonanodo das এর মতো আরো বিভিন্ন সাহিত্তিকের জীবনী সম্পর্কে লিখা পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইটটিকে ফলো করে আমাদের সাথে থাকতে পারেন।
এই Jibonanodo das সম্পর্কে লিখাটি ভালো লাগলে প্রিয়জনদের সাথে লিখাটি শেয়ার করুন।
যদি আপনি আপনার লিখা আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে চান , তবে আমাদের কে আপনার লিখা পাঠাতে পারেন, আমদের ইমেল, ফেসবুক পেজে ম্যাসেজ করতে পারেন আপনার লিখা আপনার লিখার সাথে আপনার সম্পর্কে কিছু লিখুন পরবর্তীতে আপনার বিষয়েও আমরা লেখক লেবেলে লিখবো আপনার সম্পর্কে।
ধন্যবাদ

0 মন্তব্যসমূহ